9:29 pm - Wednesday December 12, 2018

খোঁড়ার সময় মাটির তলা থেকে বেরিয়ে এলো বহুল প্রাচীন মন্দির

superadmin 0 respond
খোঁড়ার সময় মাটির তলা থেকে বেরিয়ে এলো বহুল প্রাচীন মন্দির

বিনোদন পার্ক তৈরির জন্য একশো দিনের কাজ চলাকালীন মাটি খোঁড়ার সময় মাটির তলা থেকে বেরিয়ে পড়লো আস্ত দুটি প্রাচীন মন্দির।

সম্প্রতি বর্ধমান জেলার জুজুটি এলাকায় একটি বিনোদন পার্ক তৈরির কাজ হাতে নেয় ভুঁড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত। এর জন্য ১০০ দিনের প্রকল্পে প্রায় ১২০০ শ্রমিককে কাজে লাগানো হয়। ভুঁড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুবোধ ঘোষ জানান, মাটি খুঁড়তে গিয়ে মন্দির খুঁজে পাওয়ার ঘটনা জানাজানি হতেই গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে গলসীর বিডিও শঙ্খ বন্দোপাধ্যায়কে। একইসঙ্গে প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং ইতিহাসবিদদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে গোটা বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য।

গ্রাম পঞ্চায়েত সুবোধ জানান, দামোদর নদীর তীরবর্তী এই এলাকায় প্রতি বছর অনেক মানুষ পিকনিক করতে আসেন। তাই এই জায়গাটিকে ভ্রমণের উপযুক্ত করে তুলতে গত ৮ অক্টোবর থেকে ভুঁড়ি পঞ্চায়েতের অধীনে জুজুটি গ্রামের শশ্মান ঘাট সংলগ্ন এলাকায় একটি বিনোদন পার্ক তৈরি করার কাজ শুরু করা হয়। প্রায় ১২০০ শ্রমিক এই কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। ৯ অক্টোবর চার ফুট মাটি কাটার পর শ্রমিকরা একটি মন্দিরের চূড়া দেখতে পান। কিছুটা দূরে আরও একটি মন্দিরের মাথা দেখা যায়। খবর পেয়ে ওই এলাকায় গিয়ে বিষয়টি দেখার পর কর্মীদের খনন কার্যের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়। এরপর ধীরে ধীরে মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে প্রায় আস্ত দুটি মন্দিরের অংশ। উপর থেকে দেখে আপাতত এই মন্দিরগুলিকে শিব মন্দির বলেই মনে করা হচ্ছে।

পঞ্চায়েত প্রধান আরও জানান, এই মন্দির দুটি সম্ভবত ২০০ থেকে ২৫০ বছরের প্রাচীন। হতে পারে ইংরেজ আমলে কোনও কারণে মাটির নিচে চাপা পড়ো গিয়েছিলো এগুলি। একসময় দামোদর নদ এই স্থানের অনেক কাছে ছিল। এখানে একটি খেয়াঘাট ছিল বলেও শুনতে পাওয়া যায় বলে সুবোধ বাবু জানান। তিনি বলেন ইংরেজ আমলে এখানে একটি লাইট হাউস (ওয়াচ টাওয়ার) ছিল। মূলত আশপাশের গ্রামের মানুষকে প্রতিবছর বন্যায় আগাম সতর্ক করার জন্যই এই ব্যবস্থা ছিল বলে জানা যায়।

Don't miss the stories followBest Kolkata Live News and let's be smart!
Loading...
0/5 - 0
You need login to vote.
বাদনা পরবের উৎসবে মাতলকেশপুর

বাদনা পরবের উৎসবে মাতলকেশপুর

৯১৮ কেজির খিচুড়িতে রেকর্ড, পেট পুরে খেল ৬০ হাজার শিশু

Related posts
Your comment?
Leave a Reply